বিরাট কোহলির মুকুটে নতুন পালক। ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলা এই ডানহাতি ব্যাটার এবার ছক্কার বৃষ্টিতেও গড়েছেন নতুন রেকর্ড, ছাড়িয়ে গেছেন সবার আগে। ধারাবাহিকতা, পরিশ্রম আর অসাধারণ ব্যাটিং দক্ষতায় নিজেকে তিনি নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়।
ভিরাট কোহলি শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি গোটা এক প্রজন্মের অনুপ্রেরণার নাম। তার ব্যাটিং দেখে অসংখ্য তরুণের মনে জেগেছে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন। কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস আর লড়াকু মানসিকতা দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—সাফল্য কেবল প্রতিভায় নয়, অধ্যবসায়েও গড়ে ওঠে।
রেকর্ডের পাতায় চোখ রাখলেই বারবার সামনে আসে তার নাম। কত শত অর্জন আর অবিশ্বাস্য সব পরিসংখ্যানে বর্ণিল তার ক্যারিয়ার যেন এক চলমান কিংবদন্তির গল্প। কোহলির মতো খেলোয়াড়রা আসলে আলাদা—তাদের ছুঁয়ে ফেলা কঠিন, আর সেই কারণেই তারা হয়ে ওঠেন সময়ের সেরা।

আরসিবির হয়ে শুভমন গিলের দলের বিপক্ষে ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। মেরেছেন ৮টি চার এবং ৪টি ছয়। এই ইনিংসের সুবাদেই কীর্তিগুলি গড়েছেন তিনি। গতকালের ম্যাচের আগে আইপিএলে কোহলির ছক্কার সংখ্যা ছিল ২৯৯। এই ম্যাচের পর তাঁর ছক্কার সংখ্যা ৩০৩। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসাবে আইপিএলে ৩০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কোহলি। প্রথম দু’জন হলেন ক্রিস গেল (৩৫৭) এবং রোহিত শর্মা (৩০৯)। তবে কোহলি যেন আরও ব্যাতিক্রম ৩০৩টি ছক্কাই মেরেছেন আরসিবির জার্সি গায়ে। প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে আইপিএলের একটি দলের হয়ে ৩০০টি ছয় মারার নজির গড়েছেন কোহলি। এই কৃতিত্ব গেল বা রোহিতের নেই।
ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন কোহলি। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে কোনও একটি দেশে ২০ ওভারের ক্রিকেটে ১০ রান করার নজির গড়লেন তিনি। সব ধরনের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ মিলিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। গুজরাত ম্যাচের পর ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কোহলির রান ঠিক ১০ হাজার।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রোহিত। তিনি ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে করেছেন ৮৫৬৩ রান। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান। তিনি ভারতের মাটিতে ৭৬২৭ রান করেছেন টি-টোয়েন্টিতে। তালিকায় চতুর্থ নাম জেমস ভিন্স। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর ৭৪৯২ রান রয়েছে টি-টোয়েন্টিতে।
