শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ফাইনালের দরজায় কড়া নাড়েনি—ভেঙেই ঢুকেছে! সিলেটের ডেরায় হানা দিয়ে ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চাপকে ছক্কায় উড়িয়ে দিলেন ক্রিস ওকস! চট্টগ্রামের দাপটে নিভে গেল নোয়াখালীর প্লে-অফ স্বপ্ন ক্রিকেটারদের চাপের মুখে, এম নাজমুলকে অব্যাহতি দিল বিসিবি ফর্মহীন সাইফ— চিন্তিত টিম ম্যানেজমেন্ট! নাসুম-মঈনের বোলিং ঘূর্ণিতে নাজেহাল রংপুর রাইডার্স রংপুরকে পাত্তাই ‍দিল না রাজশাহী; হারাল সাত উইকেটে নাটকীয় ম্যাচে রাজশাহীকে ২ উইকেটে হারিয়ে; পয়েন্টস টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম হার আর নোয়াখালী যেন একই বৃত্তে- রাজশাহীর বিপক্ষে ৪ উইকেটের পরাজয় সিলেট টাইটান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে অপ্রতিরোধ্য চট্টগ্রাম

উদ্বোধনী ম্যাচেই শক্তিমত্তার জানান—শান্তর সেঞ্চুরিতে রাজশাহীর দাপুটে জয়

মোহাম্মদ ইমন হোসেন
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিপিএলের ১২তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচেই নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ভর করে, সিলেট টাইটান্সকে আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলো দাপুটে জয় দিয়ে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাটিংয়ে নেমেই সায়িম আইয়্যুবের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্রুতই স্কোরবোর্ডে রান জমতে থাকে, তবে ২৮ রান করে থামতে হয় তাঁকে। হযরতউল্লাহ জাজাইও ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই ফিরে যান সাজঘরে।

এরপরই শুরু হয় পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটিং ঝড় । মিডল অর্ডারের নেমে ধৈর্য আর আক্রমণের মিশেলে ইনিংস গুছিয়ে নিতে থাকেন তিনি। একপ্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন রনি তালুকদার, আর অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ইমন। তার ব্যাট থেকে আসে ৬৫ রানের অনবদ্য এক ইনিংস।

ইনিংসের শেষভাগে ফিনিশারের ভূমিকায় নামেন আফিফ হোসেন। কার্যকর ৩৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেই দলকে পৌঁছে দেন শক্ত অবস্থানে। সব মিলিয়ে নির্ধারিত ওভারে সিলেট টাইটান্স স্কোরবোর্ডে তোলে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ।

জিততে হলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে টপকাতে হতো পাহাড়সম লক্ষ্য, যার জন্য শুরু থেকেই প্রয়োজন ছিল আগ্রাসী ব্যাটিং। তবে সেই চাপের ম্যাচে জবাব দিতে নেমে রাজশাহীর শুরুটা মোটেও স্বস্তিদায়ক হয়নি। ওপেনিংয়ে নেমে তানজিদ হাসান তামিম ছন্দ খুঁজে পাননি, ৮ বলে ১০ রান করে ফেরেন তিনি। অন্য ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানও দলীয় ৬২ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২০ রান করে ফিরে যান সাজঘরে।

ম্যাচ তখন রাজশাহীর হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায়। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে দৃঢ়তা আর চোখে-মুখে আত্মবিশ্বাস নিয়ে একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন ম্যাচজয়ী ১৩৩ রানের দুর্দান্ত জুটি।

শান্ত খেলেন ৬০ বলে ১০১ রানের অনবদ্য, হার না মানা এক ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ১০টি চার ও ৫টি ছক্কা। অন্যদিকে বিপিএল নিলাম থেকে সরাসরি দল না পাওয়া মুশফিকুর রহিমও নিজের অভিজ্ঞতার ভেলকি দেখান। ৩১ বলে দুই ছক্কা ও চারটি চারের মিশেলে খেলেন ৫১ রানের এক অগ্নিঝরা ইনিংস। সবশেষে দুই বল হাতে রেখেই আট উইকেটের বিশাল জয় তুলে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 Cricket Today
Theme BY Cricket Today