শেষ ওভারের নাটকীয়তায় জমে উঠেছিল এলিমিনেটরের ম্যাচ। ক্রিস ওকসের ছক্কায় ভর করে রংপুরকে তিন উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল সিলেট টাইটান্স।
সুপার ফোরের ঝড়ে উত্তাল বিপিএলের মঞ্চ। এলিমিনেটর ম্যাচে এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই দেখল দর্শকরা।টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রংপুরকে তিন উইকেটে হারিয়ে কোয়ালিফাই-২ এ পৌঁছে গেল সিলেট।
এদিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেটের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। দলীয় ৭ রানে ফিরে যান ফর্মের তুঙ্গে থাকা তাওহীদ হৃদয়।

হৃদয়ের বিদায়ের পরই ডেভিড মালান সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে যায় রংপুর রাইডার্স। লিটন, মায়ার্সদের আসা যাওয়ার মিছিলে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে এক প্রকার ব্যাকফুটে চলে যায় রংপুর।
মাঝে খুশদিল শাহকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মাহমুদল্লাহ রিয়াদ। তবে এই দুইয়ের বিদায়ের পর মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর।
সিলেটের হয়ে মাত্র ১৪ রানে চার উইকেট শিকার করেন খালেদ আহমেদ। ক্রিস ওকসও যেন আসলেন দেখলেন আর জয় করলেন। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে আদায় করে নেন দুই উইকেট।

১১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। দলীয় দুই রানেই বিদায় নেন ওপেনার তাওফিক খান। তবে সেই ধকলটা সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও আরিফুল ইসলাম।
কিন্তু ইমনের বিদায়ের পর চাপে পড়ে যায় সিলেট। ৪৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার উপক্রম প্রায়। আলিস আল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে ততক্ষণে চালকের আসনে রংপুর।
তবে অধিনায়ক মিরাজ ও ইংলিশ তারকা ব্যাটার স্যাম বিলিংসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে সিলেটের ইনিংস।

৯৪ রানে মিরাজ ফিরে গেলে, ম্যাচ জমিয়ে তুলেন মুস্তাফিজুর রহমান। বিলিংসকে প্যাভিলিয়নের ফিরিয়ে সিলেটের সমীকরণকে আরও কঠিন করে দেন।
শেষ ওভারে যখন ১০ রান লাগে তখন দারুণ বোলিংয়ে মঈন আলীকে ভড়কে দেন ফাহিম আশরাফ। শেষ বলে যখন ছয় রানের সমীকরন, দর্শকদের বুকে কাপন ধরিয়ে ছক্কা হাকিয়ে ম্যাচ নিজেদের করে নেন ক্রিস ওকস। ওকস যেন আসলেন দেখলেন আর জয় করে নিলেন ক্রিকেটপ্রেমীদের মন।
