আইসিসির দ্বিচারিতায় বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। এরই প্রতিবাদে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দেয় পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত এই ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে কতটা দৃঢ় থাকবে পাকিস্তান—সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়।
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারত থেকে ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি জানায় বাংলাদেশ। তবে সেই দাবি না মানায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। শুরুতে বাংলাদেশের সমর্থনে কঠোর অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে পাকিস্তান। বয়কটের গুঞ্জনের মাঝেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এরইমধ্যে কলম্বোর টিকিট কেটেছে পিসিবি।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তান দলকে ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সালমান আলি আঘার নেতৃত্বে তারা অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ শেষ করে সরাসরি কলম্বো যাবে।

এদিকে বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ক্রিকেট মহলে গুন্জন চলছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। যদিও তা নির্ভর করছে যদি কিন্তুর ওপর। তবে দলকে বর্তমানে পুরোদমে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়েই এগোতে বলা হয়েছে।
এর আগে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের সমর্থনে তারা বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তবে বাস্তবতার চাপ সামলাতে শেষ পর্যন্ত নমনীয় হতে হলো তাদের।
কেননা আইসিসির কঠোর শাস্তি এড়াতে বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে পাকিস্তান। কারণ টুর্নামেন্ট থেকে সরে গেলে দেশের ক্রিকেট বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ত—আইসিসির নিষেধাজ্ঞা, আর্থিক ক্ষতি এবং বার্ষিক রাজস্ব বন্টন বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগে বিদেশি ক্রিকেটারদের এনওসি না পাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারত।
