দ্বিতীয় কোয়ালিফাই ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারিয়ে ফাইনাল পৌঁছে গেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ।
সিলেটের ডেরায় হানা দিয়ে ফাইনালে ফায়নালে জায়গা করে নিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ার ম্যাচে সামনে যখন সমীকরণ জিতলেই ফাইনাল, তখনই নিজেদের ভেলকি দেখাল রাজশাহী।
এদিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেটের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীর শুরুটা দারুণ হয়। তানজিদ হাসান তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান মারকাটারি ব্যাটিংয়ে সাজিয়ে বসেন একের পর এক বাউন্ডারির পসরা।

দলীয় ৪১ রানে ফারহান সাজঘরে ফিরলেও রানের চাকা সচল রাখেন তামিম।তবে তামিমের আউটের পর মোমেন্টাম হারায় রাজশাহী। আসা যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন শান্ত, মুশফিক ও মেহরব অপিরা।
কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রাখেন রাজশাহীর প্রাণভোমরা কেইন উইলিয়ামসন। জিমি নিশামকে সঙ্গে নিয়ে করেন ৭৭ রানের এক অনবদ্য জুটি। নিশাম সিলেটের বোলারদের উপর একপ্রকার তান্ডবই চালিয়েছেন। খেলেন ২৬ বলে ৪৪ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস।নির্ধারিত ওভার শেষে রাজশাহীর স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১৬৫ রান। উইলিয়ামসন অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।
১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় সিলেট। সাত রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন টপ অর্ডারের দুই ব্যাটার জাকির হাসান ও আরিফুল ইসলাম।

তবে অবিচল ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। শুরুর ধাক্কার জবাবটা দিয়েছেন একের পর এক বাউন্ডারিতে। দলীয় ৭৭ রানে ইমন সাজঘরে ফিরলে,নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সিলেট।
তবে স্যাম বিলিংস ও আফিফ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে,কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট হয়ে উঠেনি।শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যাবধানে সিলেটকে হারিয়ে ফাইনালে পদ্মা পাড়ের দলটি।
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এখন দেখার পালা বিপিএলের ১২তম আসরের ট্রফিটা কার হাতে উঠবে।
