রানের পাহাড় গড়ে জিম্বাবুয়ানদের ভড়কে দিয়ে, সুপার এইটে ১০৭ রানের এক বিশাল জয় তুলে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জিম্বাবুয়ান বোলারদের যেন পাত্তাই দিল না উইন্ডিজ ব্যাটাররা। একের পর এক ছক্কার দৃষ্টিতে বলকে করেছেন সীমানা ছাড়া। আকাশপানে চেয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায়ই খুঁজে পেলেন না সিকান্দার রাজার দল। রানের ফুলঝুরি ঝড়িয়ে, ১৯ টি বিশাল ছক্কার বৃষ্টিতে আফ্রিকার দলকে ২৫৫ রানের বিশাল টার্গেট দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সুপার এইটের জাঁকজমকপূর্ণ লড়াইয়ে, এদিন গ্রুপ পর্ব কাপিয়ে আসা দুই দল জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হয়। এবারের আসরের সবচেয়ে চমকপ্রদ দল জিম্বাবুয়ে, একের এক দারুণ ম্যাচ জয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে করেছে অবাক। তবে সুপার এইটে একপ্রকার হতাশই করল সিকান্দার রাজার দল।

এ দিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তবে সেই সিদ্ধান্তই কাল হয়ে দাড়ালো কিনা তাদের জন্য! ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৭ রানে প্রথম ধাক্কাটা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাজঘরে ফিরেন ব্র্যান্ডন কিং। তবে শিমরন হেটমায়্যারকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন শাই হোপ।
দলীয় ৫৪ রানে হোপ সাজঘরে ফিরলে যেন রুদ্র মূর্তি ধারন করেন হেটমায়ার। চড়াও হোন জিম্বাবুয়ান বোলারদের উপর। রোভমান পাওয়েল সঙ্গে নিয়ে ঝড়াতে থাকেন ছক্কার বৃষ্টি। ৭ ছক্কা ও ৭ বাউন্ডারিতে হেটমায়ার করেন ৩৪ বলে ৮৫ রানের এক টর্নেডো ইনিংস। অন্যদিকে পাওয়েলও কোনো অংশে কম নয়। খেলেন বলে ৫৯ রানের অনবদ্য এক নক।
শেষে শেরফন রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ডের দারুণ ফিনিশিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পায় আসরের সর্বোচ্চ ২৫৪ রানের বড় পুজি।

২৫৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ভড়কে যায় জিম্বাবুয়ান ব্যাটিং লাইনআপ, হওয়াটাই স্বাভাবিক স্কোরবোর্ডে যে বিশাল রানের চাপ। ২০ রানেই হারিয়ে বসে তিন উইকেট।
পাহাড়সম রানের চাপে জিম্বাবুয়ান কোন ব্যাটারই উইকেটে থিতু হতে পারেনি। ব্যাটারদের আসা–যাওয়ার মিছিলে ২.২ ওভার বাকি থাকতে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি। ফলে ১০৭ রানের বিশাল জয় তুলে নেয় শাই হোপের দল।