কিছুক্ষণ বাদেই শুরু হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের মহারণ— ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ। যাকে বলা হয় The Greatest Show on the Earth। মাঠের ভেতর যেমন উত্তাপ, তেমনি বাইরে উত্তেজনার পারদও থাকে তুঙ্গে।
এক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বৈশ্বিক ক্রিকেট বাজারে তুমুল আলোড়ন। সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ, টিকিট— সব মিলিয়ে হাজার কোটি টাকার লেনদেন ঘিরে থাকে এই এক লড়াইকে কেন্দ্র করেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর জন্যও এটি সবচেয়ে বড় আয়ের মঞ্চগুলোর একটি। তবে এই ম্যাচ আয়োজন করতে কতই না কাঠ পোড়াতে হয়েছে ক্রিকেটীয় নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির।
মাঠের বাইরের মতোই ক্রিকেটারদের মনেও এই ম্যাচ ঘিরে থাকে তীব্র উত্তেজনা। ড্রেসিংরুম থেকে সংবাদ সম্মেলন— সবখানেই চলে আত্মবিশ্বাসের লড়াই, কখনও কখনও কথার ঝড়ও ওঠে।

সে কারণেই মাঠে নামার আগেই এই মহারণে নিজেদের দলকেই এগিয়ে রাখছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর তাদের কণ্ঠ— যেন শুরু হওয়ার আগেই মানসিক লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে চায় ভারত।
ভারতীয় মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী বলেন, “অবশ্যই, বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত, এটা একটা দারুণ চ্যালেঞ্জ হবে। আমরা স্পিনের বিপক্ষে অনেক শক্তিশালী, আবার আমাদের নিজেদেরও ভালো স্পিন আক্রমণ আছে। আমার মনে হয়, এদিক থেকে আমরা ওদের চেয়ে এগিয়ে।”
এই স্পিনার আরও বলেন, “যদিও তারা টানা একই ধরনের কন্ডিশনে খেলছে, সে হিসেবে তারা কিছুটা সুবিধা পেতে পারে। তবুও আমি বিশ্বাস করি, দল হিসেবে আমরা ওদের চেয়ে ভালো করেছি এবং ভালোভাবেই প্রস্তুত আছি।”

তবে ভারতীয় মারকুটে ব্যাটার ইশান কিষাণ কিছুটা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানি ব্যাতিক্রমধর্মী বোলিং অ্যাকশনে বল করা তারিক উসমানকে নিয়ে। তিনি বলেন,” নামিবিয়ার অধিনায়ক জারহার্ড ইরাসমাসের বোলিংও অনেকটা তারিকের মতো । তার বোলিংয়ের ভিডিও আমরা দেখেছি, প্রস্তুতি যা নেওয়ার ইতোমধ্যে তা সম্পন্ন হয়ে গেছে ।”
তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় প্রস্তুতির কাজ আমরা আগেই করে ফেলেছি। এখন শুধু বল দেখার সময় এবং নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলার সময়।”