হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পাত্তাই পেল না পাকিস্তান।চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিল ভারত।
নানান নাটকীয়তার পর অবশেষে মাঠে গড়ায় বহুল প্রতীক্ষিত ভারত–পাকিস্তান মহারণ। দুই দলের মুখোমুখি মানেই উত্তাপ, উত্তেজনা আর অফ-দ্য-ফিল্ড আলোচনার ঝড়—এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গ্যালারিতে ছিলেন ক্রিকেট বিশ্বের রথী-মহারথীরা, মাঠজুড়ে ছিল টানটান উত্তেজনা।
তবে ম্যাচ শুরুর আগেই জন্ম নেয় নতুন বিতর্ক। টস পর্বে দুই অধিনায়ক একে অপরের সঙ্গে হাত না মেলানোয় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব–এর আচরণ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বইছে তীব্র সমালোচনার ঝড়।

এদিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত—দ্রুত বিদায় নেন অভিষেক শর্মা। তবে অপরপ্রান্তে ঝড় তুলেন ইশাণ কিষাণ। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকা এই বাঁহাতি ব্যাটার একের পর এক বাউন্ডারিতে চাপে ফেলেন পাকিস্তানি বোলারদের।
মাত্র ৪০ বলে ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ইশাণ ফিরে গেলে ভারতের রানের গতি কিছুটা থমকে যায়। পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ১৭৫ রানেই থামতে হয় ভারতকে।
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। হার্দিক পান্ডিয়া ও জাসপ্রিত বুমরাহ –এর গতি ও নিখুঁত লাইনের সামনে টিকতে পারেননি অধিনায়ক সালমান, শাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়্যুবরা।

মাঝে উসমান খান ও শাদাব খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তী ও কুলদীপ যাদব –এর নিয়ন্ত্রিত স্পিনে সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি।
শেষ পর্যন্ত দুই ওভার বাকি থাকতেই ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ফলে ঐতিহাসিক এই মহারণে দাপটের সঙ্গে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারত।