শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। চার উইকেটের এই জয়ে শুধু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই সেমিফাইনালে ওঠেনি ইংলিশরা, নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্নও।
সমীকরণ ছিল স্পষ্ট—ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়াই শেষ চারে উঠে যেত নিউজিল্যান্ড। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে নামে কিউইরা। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলে তারা, কোনো উইকেট না হারিয়েই। মাত্র ১১.৪ ওভারে পেয়ে যায় দলীয় শতক। তবে শেষ দিকে ইংল্যান্ডের স্পিন আক্রমণে গতি হারায় ইনিংস। টিম সেইফার্ট ৩৫, ফিন অ্যালেন ২৯ এবং গ্লেন ফিলিপস ৩৯ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানেই থামে নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের চার স্পিনার মিলেই নেন ৭ উইকেট; দুটি করে শিকার আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ।
১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। মাত্র ২ রানেই ফেরেন জস বাটলার ও ফিল সল্ট। এরপর অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল ইনিংস সামাল দিলেও রান তোলার গতি ছিল মন্থর। দলীয় ৫৪ রানে ব্রুক আউট হলে চাপ আরও বাড়ে। তার দেখানো পথেই সাজঘরে ফেরেন বেথেলও।

মাঝপথে স্যাম কারান ও টম ব্যানটন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও রাচিন রাবিন্দ্রর বোলিংয়ে ম্যাচ একসময় হেলে পড়ে নিউজিল্যান্ডের দিকে। তবে শেষ দিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। একের পর এক বাউন্ডারিতে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন তারা।
শেষ পর্যন্ত জ্যাকসের ৩২ ও রেহানের ১৯ রানের ওপর ভর করে চার উইকেটের অসাধারণ জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড—আর তাতেই জমে ওঠে সেমিফাইনালের সমীকরণ।
