এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে করমর্দন না করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা। তবে তার সেই সিদ্ধান্তের দায় নিচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নারী ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, নিগারের সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত।
চলমান এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি ম্যাচের আগে দুই অধিনায়কের করমর্দন না করার ঘটনাটিও আলোচনায় আসে।
বিসিবির নারী ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘অবশ্যই, এটি তার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা বিশ্বাস করি খেলাধুলা পুরো বিশ্বকে একত্রিত করে। শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, আমরা সব দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। তাই সে যা করেছে, সেটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’

এদিকে নিগারের অধিনায়কত্বের ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাবু। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না বোর্ড। আসন্ন এশিয়ান গেমসে দলের পারফরম্যান্স দেখার পর পুরো বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে।
বাবু জানান, দলের পারফরম্যান্স ও নিগারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বোর্ড সভাপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ দলের সীমাবদ্ধতার কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। বড় দলগুলোর বিপক্ষে জয় না পাওয়াকে অন্যতম ঘাটতি হিসেবে দেখছেন নারী ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান। বিশ্বকাপেও ভালো ক্রিকেট খেলেও ছোট ছোট ভুলের কারণে বাংলাদেশ হেরেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দলকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে কাজ চলছে জানিয়ে বাবু বলেন, এশিয়ান গেমস শেষে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।