পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে গ্রীষ্মের শেষটা স্বস্তিতে কাটাল ইংল্যান্ড। তবে মাঠের সাফল্যের আড়ালে দলটির জন্য এবারের মৌসুমটা ছিল নানা বিতর্ক ও অস্থিরতায় ভরা। তাই সিরিজ জয়ের পর ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক জো রুটের আশা, এই সাফল্য দলের চারপাশের সেই ‘বিশৃঙ্খলা’ অনেকটাই থামিয়ে দেবে।
এজবাস্টনে চতুর্থ দিনেই পাকিস্তানকে হারায় ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্য পেয়ে জো রুট অপরাজিত ৬২ ও জর্ডান কক্স অপরাজিত ৫৯ রানের ইনিংসে লাঞ্চের আগেই দলকে জয় এনে দেন।
অথচ এই গ্রীষ্মের শুরুটা মোটেও স্বস্তির ছিল না ইংল্যান্ডের। অ্যাশেজে ৪-১ ব্যবধানে হারের পর নিউজিল্যান্ড সিরিজে বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসনের দলীয় প্রোটোকল ভঙ্গ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়েন স্টোকস। কিউইদের কাছে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারের পর প্রধান কোচের পদ হারান ব্রেন্ডন ম্যাককালামও।

এরপর অধিনায়ক হিসেবে ফেরার পরও মাঠের বাইরের ঘটনা থেকে রেহাই পাননি রুট। ডার্বিতে মাতাল ও বিশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন ইংল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডের সদস্য ব্রাইডন কার্স। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত নয়।
রুট বলেন, এত কিছুর পরও দল যেভাবে পরিস্থিতি সামলেছে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, এখন দলের প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব ও প্রত্যাশা পরিষ্কার এবং ভবিষ্যতের জন্য সেটিই ইতিবাচক দিক।
এদিকে পাকিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ মাইক হেসন মনে করেন, আগামী বছরের অ্যাশেজ জিততে ইংল্যান্ডকে এমন সিমিং কন্ডিশনই কাজে লাগাতে হবে। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টে দারুণ বোলিং করা ওলি রবিনসন ২১ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হয়েছেন।

তবে রুট মনে করেন, ভবিষ্যতে যদি এমন কন্ডিশন তৈরি হয়, শুধু প্রতিপক্ষ নয়, ইংল্যান্ডের ব্যাটারদেরও নিজেদের মানিয়ে নিতে হবে। নতুন কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের আগমনের মধ্য দিয়ে এখন নতুন পরিকল্পনায় এগিয়ে যেতে চায় ইংল্যান্ড।