এজবাস্টনে পাকিস্তানের যখন ম্যাচ বাঁচানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল, তখন অভিষেকেই ত্রাতা হয়ে এলেন ২১ বছর বয়সী রাজাউল্লাহ। মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচের গতিপথই বদলে দিয়েছেন এই তরুণ। তাঁর ব্যাটিং ঝড়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৯ রানের লিড পেয়েছে পাকিস্তান।
তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে মাত্র দুই উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাট করছিল পাকিস্তান। এর আগে শান মাসুদ ৯৫ ও বাবর আজম ৭৬ রান করলেও ইংল্যান্ডের বোলারদের চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। সেখান থেকেই পাল্টা আক্রমণের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন রাজাউল্লাহ।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। গাস অ্যাটকিনসনের এক ওভারে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের আগ্রাসনের জানান দেন এই অভিষিক্ত ব্যাটার। পরে জোফরা আর্চারকেও লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি।

অন্য প্রান্তে মোহাম্মদ আব্বাসকে নিয়ে গড়ে তোলেন দুর্দান্ত এক জুটি। নবম উইকেটে দুজন যোগ করেন ১২১ রান, যা পাকিস্তানকে শুধু বিপদমুক্তই করেনি, বরং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিড এনে দিয়েছে। আব্বাস ৪২ রানে আউট হওয়ার পরও থামেননি রাজাউল্লাহ। আরও ১০ রান যোগ করে শেষ পর্যন্ত ড্যান লরেন্সের বলে আউট হন তিনি।
তাঁর ৮১ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি ছক্কা, যা অভিষেকেই সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েছে। রাজাউল্লাহর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান ৪৪৯ রানে পৌঁছে যায়।
ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ৪৫৩ রানের জবাবে পাকিস্তান এখন ১২৯ রানে এগিয়ে। আর এই প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় নায়ক হয়ে উঠেছেন অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ।
