জাতীয় ক্রীড়া পরিচালনা আইন, ২০২৫-এর আওতায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলো কেন আসবে না—এ বিষয়ে বোর্ডের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের এই প্রশ্নের পর আইনটির আওতায় বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের করা আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ বিষয়টি উত্থাপন করেন। আদালত বিসিসিআই ও রাজ্য সংস্থাগুলোর আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছে, তাদের কর্মকর্তাদের চাকরি ও দায়িত্বের শর্ত কেন ২০২৫ সালের কার্যকর হওয়া আইনের অধীনে পরিচালিত হবে না, সে বিষয়ে বোর্ডের অবস্থান জানাতে।
এর আগে ওডিশা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনসংক্রান্ত এক মামলায় ওডিশা হাইকোর্টে বিসিসিআই দাবি করেছিল, ক্রিকেট এখনো জাতীয় ক্রীড়া পরিচালনা আইনের আওতাভুক্ত ‘নির্ধারিত ক্রীড়া’ হিসেবে বিজ্ঞপ্তিভুক্ত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বোর্ডের অবস্থানও একই—সরকারি অনুদান গ্রহণ না করায় বিসিসিআইয়ের ওপর এই আইন প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়।

তবে নতুন আইনে জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর জন্য আইনগত নিয়ন্ত্রক ও স্বীকৃতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে এসব সংস্থা তথ্য অধিকার (RTI) আইনের আওতায় আসতে পারে। এই বিধানেরও বিরোধিতা করে আসছে বিসিসিআই।
এদিকে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে বসছে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM)। ফলে সেখানে জাতীয় ক্রীড়া আইন নিয়ে বোর্ডের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ সিং ধুমাল ও মিজোরামের খাইরুল জামাল মজুমদার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। দুজনেরই পুনর্নির্বাচিত হওয়ার কথা।

এদিকে নির্বাচনী কর্মকর্তা এ কে জ্যোতির নির্দেশে বারোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে AGM-এ অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে।