২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে রচিত হলো সবচেয়ে বড় অঘটন। মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল জিম্বাবুয়ে।
যেখানে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করাটাই জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের জন্য আকাশ-কুসুম স্বপ্ন, সেখানে নানা সমীকরণ আর অনিশ্চয়তার ভেতর দাঁড়িয়ে তারা দেখাল দাপট। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার চোখে চোখ রাঙিয়ে লড়াই করে তুলে নিল দাপুটে এক জয়।
এই জয়ের মাধ্যমে জিম্বাবুয়ে যেন বিশ্ব ক্রিকেটকে স্পষ্ট বার্তা দিল—তারা শুধু অংশগ্রহণ করতে আসেনি, ট্রফির লড়াইয়েও নিজেদের দাবিদার হিসেবেই দেখতে চায়।

এদিন কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ট্রাভিস হেড। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ সূচনা পায় জিম্বাবুয়ে।
তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে সঙ্গে নিয়ে ৬১ রানের উদ্ভোধনী জুটি গড়েন ব্রায়ান বেনেট। মারুমানি ব্যাক্তিগত ৩৫ রানে ফিরলেও রানের চাকা সচল রাখেন বেনেট। এরপর রায়ান ব্রালকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৭০ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে তোলেন তিনি। একের পর এক বাউন্ডারিতে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের চাপে রাখেন এই দুই ব্যাটার। দলীয় ১৩১ রানে রায়ান ফিরে গেলেও বেনেট শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ৬৪ রানে থাকেন অপরাজিত।
শেষ দিকে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ১৩ বলের ২৫ রানের ঝড়ো ক্যামিওতে জিম্বাবুয়ে পায় ১৬৯ রানের লড়াকু পুঁজি।

১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্লেসিং মুজারাবানির ও ব্রেড ইভান্সের বোলিং তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিং লাইনআপ। দলীয় ২৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় হেডের দল।
মাঝে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশো ৭৭ রানের জুটি গড়ে তুললেও তা যথেষ্ট হয়ে উঠেনি। শুধু কমিয়েছে হারের ব্যাবধানটা। রেনশো ৪৪ বলে ৬৫ রানে সাজঘরে ফিরলে ১৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি চার ওভারে ১৭ রানে দিয়ে নেন চার উইকেট আর ইভান্স শিকার করেন তিন উইকেট। টানা দুই জয়ে পয়েন্টস টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে সিকান্দার রাজার দলটি।
