দিল্লিতে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর সিরিজ বাঁচানোর কঠিন পরীক্ষায় আফগানিস্তান। রোববারের ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই ভারতের কাছে পিছিয়ে ছিল তারা। মঙ্গলবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দ্রুত নিজেদের ভুল শুধরে নিতে হবে আফগানদের।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র সাত ওভারের মধ্যেই টপ অর্ডারের পাঁচ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। একপর্যায়ে দেড়শ রানও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। সেখান থেকে পাল্টা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে তাঁর ৮৩ রানের জুটি আফগানদের ইনিংসে গতি ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ১৫৬ রান সংগ্রহ করে তারা। তবে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে এই রান যথেষ্ট ছিল না।
মাত্র ১৩.৪ ওভারে লক্ষ্য টপকে যায় ভারত। ৩২ বলে ৮২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন অভিষেক শর্মা। তাঁর ব্যাটিংয়ের সামনে শুরু থেকেই অসহায় ছিল আফগান বোলিং। অন্যদিকে ভারতের বোলিংয়েও ছিল দারুণ নিয়ন্ত্রণ। দীর্ঘ চোটের পর ফেরা জাসপ্রিত বুমরাহ ২৬ রানে একটি এবং বরুণ চক্রবর্তী ১৬ রানে একটি উইকেট নেন। আর্শদীপ সিং ১৯ রানে তিন উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের শেষদিকের প্রতিরোধ ভেঙে দেন।

তবে দ্বিতীয় ম্যাচে বরুণকে পাচ্ছে না ভারত। প্রথম ম্যাচের পর নতুন করে সাইড স্ট্রেইনে আক্রান্ত হওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সেলেন্সে পাঠানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় রবি বিষ্ণোই একাদশে ফিরতে পারেন।
বরুণের অনুপস্থিতি আফগানিস্তানের জন্য সুযোগ তৈরি করলেও সেটি কাজে লাগাতে হলে ব্যাটিংয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রথম ম্যাচে ভারতের পঞ্চম বোলিং অপশনের চার ওভারে ৫৯ রান নিয়েছিল আফগানরা। সেই দুর্বলতা আবারও কাজে লাগাতে পারলে ভারতকে চাপে ফেলার সুযোগ থাকবে তাদের। তবে অভিষেকের ব্যাটিং এবং ভারতের মূল পেস আক্রমণের সামনে কাজটি সহজ হবে না।