দ্বিতীয় কোয়ালিফাই ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারিয়ে ফাইনাল পৌঁছে গেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স । সিলেটের ডেরায় হানা দিয়ে ফাইনালে ফায়নালে জায়গা করে নিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ার ম্যাচে সামনে যখন সমীকরণ জিতলেই ফাইনাল, তখনই নিজেদের ভেলকি দেখাল রাজশাহী। এদিন টসে জিতে
শেষ ওভারের নাটকীয়তায় জমে উঠেছিল এলিমিনেটরের ম্যাচ। ক্রিস ওকসের ছক্কায় ভর করে রংপুরকে তিন উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল সিলেট টাইটান্স। সুপার ফোরের ঝড়ে উত্তাল বিপিএলের মঞ্চ। এলিমিনেটর ম্যাচে এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই দেখল দর্শকরা।টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রংপুরকে তিন উইকেটে
টানা ছয় ম্যাচে হারের হতাশা কাটিয়ে টানা দুই জয়ে প্লে-অফের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে সেই আশায় জল ঢেলে দিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। দিনের প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে নোয়াখালীকে সবার আগে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দিল
শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটারদের চাপের কাছেই নতি স্বীকার করতে হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। খেলোয়াড়দের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বোর্ড পরিচালক নাজমুল ইসলামকে, সব ধরনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (কোয়াব) ডাকা বৈঠকে একাধিক দাবি উঠলেও সবচেয়ে
এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সবার নজর কাড়তে বাধ্যই করেছিলেন সাইফ হাসান। সেই ধারাবাহিকতায় সুযোগ পেয়েছেন একের পর এক আন্তর্জাতিক ম্যাচেও। তবে সময়ের সঙ্গে যেন বদলে গেছে চিত্রটা। অফ ফর্মের ঘেরাটোপে পড়ে ব্যাটে রান খরার মুখে সাইফ। প্রশ্ন উঠছে—এই ফর্মহীনতা কি
নাসুম-মঈনের বোলিং ঘূর্ণিতে নাজেহাল রংপুর রাইডার্স। ঘরের মাঠে রংপুরকে ছয় উইকেটের বিশাল ব্যাবধানে হারাল সিলেট টাইটান্স। নাসুম–মঈনদের বোলিং তোপে রংপুরের ইনিংস যেন শুরুতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে। বল সামলাতে ব্যর্থ হয়ে নিয়মিত বিরতিতে সাজঘরের পথ ধরেন ব্যাটাররা। ফলে বড় সংগ্রহ তো
তাওহিদ হৃদয়ের বিধ্বংসী ৯৭ রানের ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত বিফলে গেল । শান্ত-ওয়াসিমের ব্যাটিং তান্ডবে পাত্তাই পেল না রংপুর রাইডার্স। রাজশাহী ওরিয়র্সের চোখ ধাধানো ব্যাটিং প্রদর্শনীর ম্যাচে, সাত উইকেটের বিশাল ব্যাবধানে হেরে বসল রংপুর। আসরের সেরা ম্যাচের স্বাদই যেন পেলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
দুর্দান্ত ছন্দে থাকা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে যেন থামানোর কেউ নেই। নাটকীয় ম্যাচে রাজশাহী ওরিয়র্সকে ২ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে অপ্রতিরোধ্য দলটি। সিলেটের ওপর চাপটা বোধহয় একটু বেশিই পড়ছে। টানা ম্যাচ আর একই উইকেটে খেলার ধকলে উইকেট এখন টালমাটাল। ফলে পুরো আসরেই ২০০
হারের বৃত্ত ভাঙার কোনো পথই যেন খুঁজে পাচ্ছে না নোয়াখালী এক্সপ্রেস। একের পর এক পরাজয়ে হার আর নোয়াখালী যেন একই বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে। দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওরিয়র্সের কাছে ৪ উইকেটে হেরে সেই হতাশার গল্পই আবারও দীর্ঘ হলো নোয়াখালীর। হার
উড়ন্ত ছন্দে থাকা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে যেন থামানোর কেউ নেই। হাই স্কোরিং ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৩০ রানের ব্যবধানে হারিয়ে অপ্রতিরোধ্য দলটি। আসরের শুরুতে নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত দলটি পড়েছিল তীব্র আলোচনা–সমালোচনার মুখে, বাদ যায়নি ট্রলের বন্যাও। তবে সময়ের সঙ্গে পারফরম্যান্সেই সব জবাব